This video embed source from YouTube and uploaded by Current World on YouTube.

🔴 নবিজি ও গুই সাপের কাহিনী 🍀 ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন যে ব্যক্তি 🔴 Best Bangla Waz 2019

  • About
  • Download Video
  • Embed Video
  • Comments
Description:

প্রিয় নবী মোহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) ও গুই সাপের কাহিনী নিয়ে এই ভিডিটি। নবীজির এই বাস্তব ঘটনার কারনে এক হিন্দু ভাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন। -------------
| COMMENT | SHARE | SUBSCRIBE |
-----------------------------------
🔴 হৃদয় কাঁপানো ওয়াজ (Muhib Khan): https://goo.gl/ZuxcSF

● বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের অস্থিরতা: https://goo.gl/qCJ1cH

🔴 ভালোবাসা নাকি অশ্লীলতা?ঃ https://goo.gl/RqBngt

● মহানবী (সঃ) ঘুমানোর আগে যা করতেন : https://goo.gl/k9KLoY

🔴 ২০ লাখ নেকির দোয়া: https://goo.gl/DYbcbK
------------------------------
★ Our Social Media Link: ★
--------------------------
● Facebook:
https://www.facebook.com/currentworldbn

● subscribe: https://goo.gl/8iRxzH
-------------
Keywords of this video:
............................
নবিজি ও গুই সাপের কাহিনী,নবিজি,গুই সাপের কাহিনী,mahafil,waz,Bangla New Waz 2019,Bangla New Waz, Bangla Waz 2019,current world,ওয়াজ, funny waz,ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন,ইসলাম ধর্ম গ্রহণ,নবীজির জীবন কাহিনী,রাসুল (সাঃ) এর জীবনী,রাসুল সাঃ এর মৃত্যু,অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের কাহিনী,হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ,ইসলাম ধর্ম কি,মুসলিম থেকে হিন্দু,মুসলিম থেকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ,ধর্মান্তরিত মুসলিম,islam dhormo grohon,islam dhormo,হজরত ওমর (রাঃ),উমর ইবনুল খাত্তাব,ওমরের ঘটনা,হযরত ওমরের বিচার
-------------------------

#নবিজি
#BanglaWaz

আশাকরি এই ভিডিও আপনাদের অনেক উপকারে আসবে।
ধন্যবাদ
🔴 নবিজি ও গুই সাপের কাহিনী 🍀 ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন যে ব্যক্তি 🔴 Best Bangla Waz 2019
Uploaded on YouTube by Current World

নবিজি ও গুই সাপের কাহিনী,নবিজি,গুই সাপের কাহিনী,mahafil,waz,Bangla New Waz 2019,ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন,ইসলাম ধর্ম গ্রহণ,নবীজির জীবন কাহিনী,রাসুল (সাঃ) এর জীবনী,রাসুল সাঃ এর মৃত্যু,অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের কাহিনী,হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ,ইসলাম ধর্ম কি,মুসলিম থেকে হিন্দু,মুসলিম থেকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ,ধর্মান্তরিত মুসলিম,islam dhormo grohon,islam dhormo,হজরত ওমর (রাঃ),ওমরের ঘটনা,হযরত ওমরের বিচার

Download This Video:

Embed this

Related Videos

☢ মরুভূমির ভিতরে এক যুবতীর সাথে ওমর (রাঃ)- এর ঘটনা 🔥 Abdul Ajij waz
☢ মরুভূমির ভিতরে এক যুবতীর সাথে ওমর (রাঃ)- এর ঘটনা 🔥 Abdul Ajij waz

by Current Worl...

🔥 হযরত ওমর (রাঃ) শাসন আমলে একদিন তিনি মরুভূমির ভিতর দিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই সাক্ষাত হয় এক যুবতীর সাথে, অতঃপর যা ঘটল তা এই ভিডিওতে আলোচনা করেন সিরাজগঞ্জের মুফতিঃ আব্দুল আজিজ। ............ একটি অনুরোধঃ-............. আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমাদের চ্যানেলটি পরিপূর্ণ হতে দয়া করে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের কে উৎসাহিত করুন। | ভাল লাগার মতন কিছু ভিডিওঃ ► | ----------------------------------- 🍀 নবিজি ও গুই সাপের কাহিনী ► https://goo.gl/Qwk97a 🔴 দাড়িয়ে ২ ঘণ্টা হৃদয় কাঁপানো ওয়াজ করলেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব। 🔴 ভিডিও লিঙ্কঃ ► https://goo.gl/QpQXCJ ------------------------------ ★ Our Social Media Link: ★ -------------------------- ● Facebook: https://www.facebook.com/currentworldbn ------------- Keywords of this video: ............................ হযরত ওমরের শাসন ব্যবস্থা,Abdul Ajij waz,হযরত ওমর রাঃ এর শাসন আমল,হযরত ওমর (রাঃ) এর জীবনী,উমর ইবনুল খাত্তাব,হযরত ওমরের শাসনামল,হযরত ওমরের বিচার,হযরত ওমরের জীবনী,হযরত ওমরের ছেলের বিচার,bangla waz,mahfil,saidi waz bangla,Current World,bangla waz 2019,bangla waz new,bangladesh waz,bangla waz 2019 mp3,islamic waz,mizanur azhari waz,waz 2019 new,waz mahfil ------------------------- #যুবতী #New_Bangla_Waz #হযরত_ওমর মহান আল্লাহ্‌ আমাদেরকে এই সকল কথা মেনে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন

আবু জাহেল কেন কাফের? এযুগের আবু জাহেল কারা? By-Dr. Khondokar Abdullah Jahangir
আবু জাহেল কেন কাফের? এযুগের আবু জাহেল কারা? By-Dr. Khondokar Abdullah Jahangir

by Tareq Bin Ab...

আবু জাহেল কেন কাফের? এযুগের আবু জাহেল কারা? By-Dr. Khondokar Abdullah Jahangir-অধ্যাপক, আল-হাদীস বিভাগ-ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া, আলোচকঃ পিস টিভি বাংলা।

অবাক করা কাহিনী 'নবী প্রেমী সাপের ৫৭০ বছর অপেক্ষা' Mawlana Nasir Uddin Juktibadi New Bangla Waz 2019
অবাক করা কাহিনী 'নবী প্রেমী সাপের ৫৭০ বছর অপেক্ষা' Mawlana Nasir Uddin Juktibadi New Bangla Waz 2019

by OAHI MEDIA

অবাক করা কাহিনী 'নবী প্রেমী সাপের ৫৭০ বছর অপেক্ষা' Mawlana Nasir Uddin Juktibadi New Bangla Waz 2019 Please SUBSCRIBE MY OAHI MEDIA AND ALSO LIKE, COMMENT & SHARE ...~~OAHI MEDIA Official Social Media Link~~... Youtube- www.youtube.com/OAHIMEDIA Facebook Like Page- www.facebook.com/OahiTV Linkedin- www.linkedin.com/in/anich-mia-054847129 Facebook Owner ID-www.facebook.com/AnichMIA1989 #===Warning===# This Video owner is OAHI MEDIA. Please Do Not Download & Reipload This Video In Any other Online Platform.This contents are Colection 3 HD Camera. #All_contents_Copyright_OAHI_MEDIA.

নিজের বাবাকে চিতায় পুড়িয়ে হিন্দু যুবকের মুসলমান হওয়ার লোমহর্ষক সাক্ষাৎকার | Khutbah Tv
নিজের বাবাকে চিতায় পুড়িয়ে হিন্দু যুবকের মুসলমান হওয়ার লোমহর্ষক সাক্ষাৎকার | Khutbah Tv

by Khutbah TV

মাহফিল কিংবা যেকোন ইসলামিক অনুষ্ঠান ভিডিও , ইডিটিং , সরাসরি (LIVE) সম্প্রচার করতে যোগাযোগ করুন Contact with Us +8801916122140 ( Imo , Whatsapp ) Visit Our Website - https://www.khutbahtv.com Subscribe our channel- https://www.youtube.com/khutbathBd Find us in facebook- https://www.facebook.com/khutbath Follow Us in Twitter https://www.Twitter.com/khutbath ******* Thanks for watching this video. Stay with us to get updated with latest Bengali Islamic contents. If you don't want to miss our videos don't forget to subscribe.

আজরাঈল কে রাস্তায় থামিয়ে ,তাহার নিকট হতে রুহু রেখে দেয় ।। আব্দুল কাদির জিলানী।। 01715261408||
আজরাঈল কে রাস্তায় থামিয়ে ,তাহার নিকট হতে রুহু রেখে দেয় ।। আব্দুল কাদির জিলানী।। 01715261408||

by BIPLOB MEDIA

গাউসুল আজম হযরত আবদুল কাদের জিলানী (রহঃ) ‘ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম’ বা ‘গিয়ারবী শরীফ’ : ওলীকুলের শ্রেষ্ঠ, কুতুবে রব্বানী, মাহবুবে সোবহানী গাওসুল আজম হযরত মুহিনুদ্দিন আবদুল কাদের জিলানী (র.)-এর ওফাত দিবস হিসেবে পরিচিত এই পবিত্র দিবসটি বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের প্রায় সর্বত্র যথাযথ মর্যাদা সহকারে উদযাপিত হয়ে থাকে। তারই প্রবর্তিত কাদেরিয়া তরিকাপন্থী কোটি কোটি মুসলমানের নিকট দিবসটির তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। তরিকতের ইমাম মহান সাধক হযরত গাওসুল আজমের রূহানী, আধ্যাত্মিক, ভক্ত-অনুসারীর প্রাণপ্রিয় এই ‘বড় পীর’ দুনিয়াময় ইসলামের যে আলোক শিখা জ্বালিয়ে গেছেন তা অনন্তকাল অনির্বাণ থাকবে। বংশধারা : গাওসুল আযম হযরত আবদুল কাদের জিলানী (র.) মা-বাবা উভয় দিক থেকে ছিলেন হাসানী-হোসাইনী অর্থাৎ হযরত আলী (র.)-এর বংশধর। তিনি হিজরী ৪৭০ সালের ১ রমজান মোতাবেক ১০৭৭-৭৮ খৃস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং হিজরী ৫৬০-৬১ সাল মোতাবেক ১১৬৬ খৃস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন। তখন তার বয়স হয়েছিল ৯০-৯১ বছর। বাগদাদে তিনি শিক্ষা লাভ করেন। কোরআন তফসীর, হাদীস, ফেকাহ, বালাগত (অলংকার শাস্ত্র, সাহিত্য), ইতিহাস অংকশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা প্রভৃতি প্রচলিত সব বিষয়ে সনদ লাভ করেন। তিনি যুগ শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে এবং শরিয়ত ও তরিকতের অনন্য সাধারণ ইমাম হিসেবে এবং ইসলামের পূর্ণজীবনদানকারী হিসেবে সর্বোচ্চ আসনে সমাসীন ছিলেন। ওফাত দিবস : হযরত গাওসুল আজমের ওফাত দিবস ‘ফাতেহা-ইয়াজদহম’ বা ‘গিয়ারভী শরীফের’ প্রথমোক্ত নামটি অধিক পরিচিত এবং সূচনা কাল থেকেই এখানে প্রচলিত। দিবসটির উদ্ভব ও প্রচলন সম্পর্কে কিছু চমৎকার বিবরণ পাওয়া যায়, যার নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন করার অবকাশ থাকলেও দিবসটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা সর্বজন স্বীকৃত। মুসলিম বিশ্বের আওলিয়ায়ে কেরামের ইতিহাসে গাওসুল আজম হযরত আব্দুল কাদের জীলানী (র.)-এর স্থান নিঃসন্দেহে সকলের ঊর্ধ্বে। এখানে তার ওফাত দিবস নিয়ে কিছুটা আলোচনা করা যাক। হযরত গাওসুল আজম হিজরী ৫৬১ সালের রবিউস সানী মাসে ওফাত পান। খ্রিস্ট সাল অনুযায়ী যা ছিল ১১৬৬ সাল, তারিখ সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। ৮, ৯, ১১, ১৩ এবং ১৭ পর্যন্ত এ পাঁচটি তারিখের উল্লেখ পাওয়া গেলেও সর্বসম্মত মত হচ্ছে ১১ রবিউস সানী। ফারসি ভাষায় ১১ কে ইয়াজদহম এবং উর্দুতে ‘গিয়াবা’ বলা হয়। এবং গিয়াবা থেকে ‘গিয়ারভী’ শরীফের উৎপত্তি। দুটি নামের প্রচলন করে থেকে এবং কীভাবে শুরু হয় সে সম্বন্ধে কিছুটা মতভেদ দেখা যায়। কেউ কেউ বলেন, হযরত বড় পীর সাহেব নিজেই এটা পালন করতেন। আবার কেউ কেউ বলেন, এটা তার ওরস দিবস যা তার ইন্তেকালের পর মাসায়েখ ও ভক্ত-অনুসারীগণ পালন করতে আরম্ভ করেন। প্রথম মতের সমর্থন পাওয়া যায় আল্লামা ইমাম ইয়াফেযী কাদেরী (র.)-এর বক্তব্য হতে। আল্লামা ইয়াফেযী (র.) বলেন, ‘ফাতেহা ইয়াজদহম’ হযরত রাসূলে করীম (স.)-এর ওফাত দিবস, যা বড় পীর সাহেব তার জীবনে পালন করতে থাকেন। এ সম্বন্ধে আল্লামা ইয়াফেযী তার বিখ্যাত পুস্তক ‘কোরবাতুন নাজেরা’-তে বলেছেন, একদা বড় পীর সাহেবের ‘গিয়ারভী’ শরীফের আলোচনা হতে থাকলে তিনি (পুস্তক রচয়িতা) বলেন, এর নিয়ম এই যে, বড় পীর সাহেব রবিউস সানী মাসের ১৩ তারিখে হুজুর (স.)-এর ‘খতম শরীফ’ নির্ধারিত করে দেয়া হয়। তারপর অন্যরাও তার অনুকরণে একাদশ তারিখে হযরত রাসূলে করীম (স.)-এর নামে খতম পড়াতে আরম্ভ করেন। ক্রমশ এটা হযরত বড় পীর সাহেবের ‘গিয়ারভী শরীফ’ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। এখন তার ওরসও একাদশ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ তার ওফাত সর্বসম্মতভাবে ১১ রবিউস সানী দিবসে। উল্লেখিত বিবরণে একটা খটকা থেকে যাচ্ছে যে, প্রচলিত প্রথা অনুসারে কারো মৃত্যুর পর চল্লিশতম দিবসকে ফারসিতে ‘চেহলাম’ বলা হয়। বর্ণিত বক্তব্যে রাসূলুল্লাহ (স.)-এর ‘চেহলাম’ ১১ রবিউস সানী কিভাবে সঠিক হয়। কেননা রাসূলুল্লাহ (স.)-এর ওফাত দিবস ১২ রবিউল আউয়াল হতে হিসাব করা হলে চেহলাম বা চল্লিশ পূর্ণ হতে গোটা রবিউস সানী শেষ করে পরবর্তী জমাদিউল আউয়াল মাসেরও তিন দিন হিসাব করতে হয়। পক্ষান্তরে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওফাত ৯ রবিউল আউয়াল ধরা হলে রবিউস সানী মাসের ১১ তারিখ পর্যন্ত ৪০ দিন হয় যদি রবিউল আউয়ালকে ৩০ দিন ধরা হয়। তা হলে প্রশ্ন আসে বড় পীর সাহেব রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সেই কথিত চেহলাম কোন তারিখ হতে হিসাব করতেন? নির্ভরযোগ্য ইতিহাস সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হওয়া আবশ্যক। আর বড় পীর সাহেবের ওফাত দিবসকে ‘গিয়ারভী’ শরীফ বা ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম যাই বলা হোক না কেন তাতে কোনো বিতর্কের সুযোগ থাকে না এবং রাসূলুল্লাহ (স.)-এর চেহলাম হিসাব করার প্রশ্নও আসে না, যা এক নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করতে পারে। সম্রাট আওরঙ্গজেবের (আলমগীর) ওস্তাদ এবং নূরুল আনোয়ার নামক বিখ্যাত গ্রন্থের রচয়িতা মোল্লা জুযুনের ছেলে মোল্লা মোহাম্মদ তার পুস্তকে লিখেছেন যে, অন্যান্য মাসায়েখের ওরশ বছর শেষে অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু হযরত বড় পীর সাহেবের এটা এমন একটা বৈশিষ্ট্যপূর্ণ শান যে, বুজুর্গানে দ্বীন কর্তৃক তার ওরস গিয়ারভী শরীফ প্রতি মাসে নির্ধারিত করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে (সরকারিভাবে ও) বছরে একবার রবিউস সানী ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম বহুকাল থেকেই উদযাপিত হয়ে থাকে। হযরত শেখ আবদুল হক মোহাদ্দেস দেহলবী (র.) যার যুগ হিজরী ৯৫৮ থেকে ১০৫২ সাল পর্যন্ত তিনি ফাতেহা-ই-ইয়াজদহম সম্পর্কে যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিবেশন করেছেন তা উল্লেখ করা যেতে পারে। ‘মা সাবাতা বিস সুনাহ’ নামক বিখ্যাত পুস্তকে হযরত মোহাদ্দেস দেহলবী ‘রবিউস সানী’ মাসের আলোচনা করতে গিয়ে গাওসুল আজমের ওরস সম্পর্কে লিখেছেন : ‘জানা নির্ভরযোগ্য বর্ণনা মতে গাওসুল আজমের ওরস ৯ রবিউস সানী তারিখে হওয়া উচিত এবং পীর-মুর্শিদ শেখ আবদুল ওহাব কাদেরী মোত্তাকী মক্কী (র.) এই তারিখকে তার ওরস বলে গণ্য করতেন। ওরসের এই তারিখটাই নির্ভরযোগ্য এ কারণে যে, আমাদের পীর-মুর্শিদ শেখ আজম আলী মোত্তাকী (র.) এবং মাসায়েখের নিকট এই তারিখই নির্ভরযোগ্য। কিন্তু আমাদের দেশে বর্তমানে ১১ রবিউস সানী তারিখই অধিক প্রসিদ্ধ ও প্রচলিত এবং ভারতে (পাকিস্তানে) অবস্থানরত গাওসুল আজমের বংশধর ও মাসায়েখে কেরাম একাদশ তারিখে ওরস করে থাকেন।

ইবলিশ শয়তান ও জিব্রাঈল (আঃ) এর কথোপকতন
ইবলিশ শয়তান ও জিব্রাঈল (আঃ) এর কথোপকতন

by MinarMedia

শায়খ আব্দুল কাইয়ুমের সকল আলোচনার ভিডিও দেখুন ওয়েব সাইট: http://www.minarmedia.co.uk/ ফেইসবুক: https://www.facebook.com/MinarMedia/

মে'রাজ: এক বিস্ময়কর যাত্রা, পর্ব ১
মে'রাজ: এক বিস্ময়কর যাত্রা, পর্ব ১

by Baseera

জীবনের সবচেয়ে কষ্টের সময়টি পার করার পর রাসুল (সঃ) এর জন্য অপেক্ষা করছিল এক অদ্ভুত, অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। একটি রাতে রাসুল (সঃ) ভ্রমণ করেছিলেন মক্কা থেকে জেরুসালেম, এবং সাত আসমান পাড়ি দিয়ে স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সাথে কথা বলেছিলেন। বিস্ময়কর এই যাত্রার ১ম পর্ব শেয়ার করা হলো।

জিনের বাদশাহ ও আল্লাহর একটি অলির বিষ্ময়কর ঘটনা|| ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি|| Sha Waliullah|| Md Tamim
জিনের বাদশাহ ও আল্লাহর একটি অলির বিষ্ময়কর ঘটনা|| ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি|| Sha Waliullah|| Md Tamim

by Md Tamim

জিনের বাদশাহ ও আল্লাহর একটি অলির বিষ্ময়কর ঘটনা|| ওয়ালিউল্লাহ দেহলভি|| Sha Waliullah|| Md Tamim ঘটনাটি শাহ অলিউল্লাহ জীবনে ঘটে যাওয়া এক বিষ্ময়কর ঘটনা,আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কে এই শাহ অলিউল্লাহ দেহলভী? তিনি ভারতের দিল্লির বাসিন্দা, তিনার জন্ম ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দ বা ১১১৪ হিজরিতে। তিনি ছিলেন বড় মাপের একজন মুহাদ্দিস।এবারো আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মুহাদ্দিস বলতে কি বোঝায়? যে ব্যক্তি হাদিস চর্চা করেন এবং বহুসংখ্যক হাদিসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলে। তো চলুন শুনে আসি কি ঘটেছিল তিনার জীবনে,আর কেনই বা জিনের বাদশা তিনাকে নিয়ে গেছিল। শাহ অলিউল্লাহ দেহলভী তিনি এক রাত্রিতে নীজের ঘরের মধ্যে বসে কিতাব লিখছিলেন। Facebook: https://www.facebook.com/mdtamim74 Disclaimer: ========= This channel may use some copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use” Copyright Disclaimer under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use. 🙏🙏🙏🙏THANKS FOR SUBSCRIBE🙏🙏🙏🙏

মুসলমানের ছেলে মেয়ে হলি খেলে সি সি আল্লামা আব্দুর রহিম আল মাদানী 01703520012
মুসলমানের ছেলে মেয়ে হলি খেলে সি সি আল্লামা আব্দুর রহিম আল মাদানী 01703520012

by Muslim. tv

.....................মুসলিম টিভি সবার কথা বলে ........................................... আমাদের নতুন আয়োজন ইসলামীক গান দেখতে এখানে ভিজিট করুন https://www.youtube.com/channel/UCAlDFUEjv7HJN5bubjXMteA/videos?disable_polymer=1 আমাদের পেইজে ভিজিট করুন facbook https://www.facebook.com/Muslimtv-2351792745044231/

কোরআনে চুমা দিলেই হবে না কোরআনের আইন মানতে হবে মুফতী আমির হামজা।Mufti Amir Hamza.Mahfil Media
কোরআনে চুমা দিলেই হবে না কোরআনের আইন মানতে হবে মুফতী আমির হামজা।Mufti Amir Hamza.Mahfil Media

by Mahfil Media

#মাহফিল_মিডিয়া_০১৭৬১_১৩৬৬৬১ কোরআনে চুমা দিলেই হবে না কোরআনের আইন মানতে হবে মুফতী আমির হামজা।Mufti Amir Hamza.Mahfil Media. মুফতী আমির হামজা বলেন কোরআনে চুমা দিলেই হবে না কোরআনের আইন মানতে হবে। মুফতী আমির হামজা বলেন কোরআনে চুমা দিয়ে বুকে জড়িয়ে রাখলেই হবে না। মুফতী আমির হামজা বলেন আরো বলেন শুধু তেলোওয়াত করার জন্য নয়। মুফতী আমির হামজা বলেন কোরআন তো মানুষের জীবন গড়ার হাতিয়ার। মুফতী আমির হামজা বলেন কোরআন পড়তে হবে এবং মানতে হবে। মুফতী আমির হামজা বলেন কোরআন মানুষের জন্য হিদায়েতের বানী নিয়ে এসেছেন। Mufti Amir Hamza said that the Quran will have to accept the law of the Qur'an if it does not pass the Quran. Mufti Amir Hamza said that in the Qur'an there will be no kiss in the chest. Mufti Amir Hamza said, not only to do Telawat, but also to do so. Mufti Amir Hamza said that the Qur'an is the tool of human life. Mufti Amir Hamza said that the Quran must read and accept. Mufti Amir Hamza said that the Qur'an came with the help of the guidance of the people.