This video embed source from YouTube and uploaded by Dr Saiful, Physiotherapist on YouTube.

কিভাবে বুঝবেন কিডনি ব্যথা কোমর ব্যথা কোমর ব্যথা কেন হয় কিডনি রোগের লক্ষণ কিডনি রোগের কারণ

  • About
  • Download Video
  • Embed Video
  • Comments
Description:

কোমর ব্যথার কারণ ও প্রতিকার / কিডনি ব্যথার কারণ / কিডনি ব্যথার লক্ষণ / কোমর ব্যথার চিকিৎসা /কিডনির ব্যথা কেমন

কোমর ব্যথার চিকিৎসা নিজে কিভাবে করবেন
https://www.youtube.com/playlist?list=PLWkzvrvMTOHmfTgN9Nwc6uQ9FPslqnNaB


কোমর ব্যথা নাকি কিডনি ব্যথা কিভাবে বুঝবেন

কিডনি আর কোমর এক জায়গায় অবস্থান করে । দুটো কিডনি আমাদের কোমরের হাড় এবং শেষ বক্ষপিঞ্জের মাঝে দুই পাশে অবস্থান করে । তাই কোমর ব্যথা হলে আমরা বিপদে পরে যাই ব্যথাটা কি কিডনি থেকে এল, নাকি কোমরের কোন হাড়, মাসল, নার্ভ, ডিস্কের সমস্যা থেকে আসতেছে ।

আসলে কোমর ব্যথা আর কিডনি ব্যথা শনাক্ত করা কঠিন কোন বিষয় নয় । ব্যথার অবস্থান, কি ধরনের ব্যথা , ব্যথার তীব্রতা এইসব থেকেই আমরা সহজেই অনুমান করতে পারি আমাদের ব্যথা কি কিডনি থেকে আসছে, নাকি কোমরের কোন সমস্যা থেকে আসছে ।

কিডনি ব্যথা সাধারণত কিডনিতে কোন ইনফেকশন কিংবা কিডনিতে কোন পাথর জমা হলে এই ধরনের সমস্যা হতে পারে । কোমর ব্যথা সাধারণত কোমরের কোন হাড়, মাংসপেশি, নার্ভ, ডিস্কে কোন সমস্যা হলে কোমর ব্যথা হতে পারে ।

কিডনি ব্যথা এবং কোমর ব্যথা সহজে বুঝার কিছু বৈশিষ্ট্য

১। কিডনি যেহেতু আমাদের কোমরের হাড় এবং শেষ বক্ষপিঞ্জরের মাঝে অবস্থিত । তাই কিডনি ব্যথা হলে কোমরের একটু উপরে যেকোন এক পাশে ব্যথা হবে । অনেক সময় কোমরের দুই পাশেও ব্যথা হতে পারে । কিডনি ব্যথা সাধারণত কোমরের পিছনের দিকে হয় না ।
কোমর ব্যথা সাধারণত কোমরের পিছনের দিকে মাঝখানে কিংবা পাশে মাসলে হয় । কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে সাধারন অনেক ক্ষণ বসে থাকা কিংবা কোমরে আঘাতের ইতিহাস থাকে । যেমন – সামনে ঝুঁকে ভারি কিছু তুলতে গিয়ে আঘাত পাওয়া, যেকোন ধরেনর একসিডেন্টের ইতিহাস থাকতে পারে ।

২। কিডনিতে পাথর হলে খুব শার্প ( ধারালো ) ব্যথা হয় এবং কিডনিতে ইনফেকশন হলে ভোঁতা ( ঢাল) ব্যথা হয় । কিডনি চিকিৎসা না হওয়া পর্যন্ত কিডনি ব্যথা চলতে থাকে ।
কোমরে হাড় মাংস নার্ভে কোন সমস্যা হলে কোমর ব্যথা কখনও তীব্র হয়ে যায় কিংবা কমে যায় । কখনো ভাল , কখনো খারাপ কোমর ব্যথা এইভাবেই চলতে থাকে ।

৩। কিডনি ব্যথা অনেক সময় রেফার্ড হয়ে তলপেটেও হতে পারে ।
ডিস্ক প্রলাপসজনিত কোমর ব্যথা কোমর থেকে পা পর্যন্ত চলে যায় । কারণ ডিস্ক বের হয়ে এসে সায়াটিকা নার্ভে চাপ দেয় ।

৪। কিডনিতে ইনফেকশন হলে ব্যথার সাথে জ্বরও হতে পারে ।
সাধারন কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে জ্বর বা ওজন কমার কোন ইতিহাস থাকে না ।


৫। কিডনিতে ব্যথা হলে সাথে সাথে প্রস্রাবে জ্বালা পোড়া সমস্যা হতে পারে , প্রস্রাব কালো হতে পারে , প্রস্রাব আর্জেন্সি হতে পারে ।
ডিস্ক প্রলাপস জনিত কোমরে ব্যথার ক্ষেত্রে অনেক সময় প্রস্রাব আটকে রাখতে সমস্যা হয় । তবে কোমর ব্যথার সমস্যায় প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হয় না ।

৬। কিডনি ব্যথা যখন শুরু হয় , তখন সেটার চিকিৎসা না হওয়া পর্যন্ত ব্যথা একই ভাবে চলতে থাকে।
অপরদিকে কোমরে মাসল, নার্ভ জনিত ব্যথা বছরের পর বছর বেশি কম চলতে থাকে ।

৭। ডিস্ক প্রলাপস জনিত কোমর ব্যথায় কোমরের নার্ভ রুটে চাপ পরে , সেইজন্য ব্যথার সাথে সাথে ঝিন ঝিন বা অবশ অবশ অনুভূতি হতে পারে । কিডনি সমস্যার ক্ষেত্রে পায়ের দিকে ঝিন ঝিন বা অবশ অবশ অনুভূতি হয় না ।

তবে কোমর ব্যথা ভালভাবে শনাক্ত করতে চিকিৎসা করার জন্য আপনার নিকটবর্তী চিকিৎসকের কাছে যাবেন । চিকিৎসক আপনাকে ফিজিক্যালি দেখে , এসেস করে এবং প্রয়োজনীয় কিছু টেস্ট করে কনফার্ম করে দিবে আপনার কি সমস্যা । সঠিক ভাবে চিকিৎসা করলে কোমর ব্যথা থেকে ভাল হওয়া মোটেই কোন কঠিন বিষয় নয় । তবে এর জন্য আপনাকে আগে বুঝতে হবে আপনার কোমর ব্যথা কেন হচ্ছে ।

ধন্যবাদ
ডাঃ সাইফুল ইসলাম,পিটি
প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার
উত্তরা, ঢাকা ।
https://www.facebook.com/physio.Drsaiful/
কিভাবে বুঝবেন কিডনি ব্যথা কোমর ব্যথা কোমর ব্যথা কেন হয় কিডনি রোগের লক্ষণ কিডনি রোগের কারণ
Uploaded on YouTube by Dr Saiful, Physiotherapist

কিডনি ভাল রাখার উপায়,কিডনি কোথায় থাকে,কিডনি রোগের কারণ ও প্রতিকার,কিডনি ব্যথায় করণীয়,কিডনির ব্যথা কেমন,কোমর ব্যথা দূর করার ব্যায়াম,কিডনিতে ব্যথা হলে করনীয়,কিডনির ব্যথা কেমন হয়,কিডনির ব্যথা কোন সাইটে হয়,Back pain,Back pain solution,Kidney pain

Download This Video:

Embed this

Related Videos

বাতের ব্যথায় বিপদজনক ৬টি খাবার  /  বাত ব্যথায় করণীয়/ আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তির উপায় / বাত ব্যথা
বাতের ব্যথায় বিপদজনক ৬টি খাবার / বাত ব্যথায় করণীয়/ আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তির উপায় / বাত ব্যথা

by Dr Saiful, P...

বাতের ব্যথার ঘরোয়া চিকিৎসা / বাতের ব্যথা হওয়ার কারণ / বাত ব্যথা থেকে মুক্তির উপায় / আর্থ্রাইটিস থাকলে কি কি খাবেন না আর্থাইটিস মানে আপনার শরীরে ইনফ্লামেটরী স্টেজ চলতেছে । সুতারাং এই অবস্থায় যেইসব খাবার ইনফ্লামেশন বাড়ায় সেইগুলো খাওয়া উচিত না । কারণ এতে আপনার ইনফ্লামেশন তো বাড়বেই এবং সাথে আরো কিছু সমস্যা যেমন ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়বেটিস এইসব সমস্যাও বেড়ে যাবে । কিছু খাবার খুবই সাংঘাতিকভাবে ইনফ্লামেশন বাড়ায় , আজকেই সেইগুলো নিয়েই কথা বলব - ১। মিষ্টিঃ মিষ্টি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার ইনফ্লামেশন বাড়াতে প্রধান ভূমিকা পালন করে । সাইটোকাইনস নামক ইনফ্লামেটরী মেসেঞ্জার রিলিজ হয়ে প্রক্রিয়াজাত মিষ্টি থেকে । তাই রসগোল্লা, চকলেট এইসব মিষ্টি জাতীয় খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখা উচিত । ২। চর্বিজাতীয় খাবারঃ চর্বি জাতীয় খাবার শুধু হার্ট ডিজিজ আর স্ট্রোকের জন্যই দায়ী না । এইগুলোর আর্থাইটিস সমস্যা অনেক বাড়িয়ে দেয় । অনেকগুলো গবেষনায়ই এটা প্রমাণিত হয়েছে । বিশেষ করে গরুর মাংস , পিৎজা, এবং ফাস্ট জাতীয় খাবারে ক্ষতিকর ফ্যাট থাকে যেটা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর । ৩। গরুর দুধঃ গরুর দুধ শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন । ইনফ্লামেশন অবস্থায় বিশেষ করে রিউমাটয়েড আর্থাইটিস এবং অস্টিওআর্থাইটিসের ইনফ্লামেটরী অবস্থায় দুধ খাওয়া উচিত নয় । ৪। ফ্রাইড ফুডঃ বিশেষ করে ফ্রাইড চিকেন ,ফ্রাইড রাইস এইগুলো ইনফ্লামেশন বাড়াতে কাজ করে । যাদের আর্থাইটিস আছে , তাঁদের এইসব খাবার না খাওয়াই উচিত । ৫। সাদা খাবারঃ বিশেষ করে সাদাভাত, রুটি আর্থাইটিস রোগীদের আর্থাইটিস বাড়াতে কাজ করে । এইগুলোতে রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট থাকে , যা আমাদের ওজন বাড়াতে এবং ডায়বেটিস বাড়াতে কাজ করে । আর্থাইটিস ফাউন্ডেশনের মতে এই গুলো আর্থাইটিসের সমস্যা বাড়াতে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে । ৬। কফিঃ খুবই দুঃখজনক কফি প্রিয়দের জন্য । কফি রিউমাটয়েড ফ্যাক্টর বাড়িয়ে দেয় । তাই যাদের রিউমাটয়েড আর্থাইটিস আছে তাঁদের কফি না খাওয়াই উত্তম । ধন্যবাদ ডাঃ সাইফুল ইসলাম , পিটি প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার উত্তরা, ঢাকা ।

কিডনী ও মুত্রথলির রোগ ও প্রতিকার - স্বাস্থ্য প্রহর
কিডনী ও মুত্রথলির রোগ ও প্রতিকার - স্বাস্থ্য প্রহর

by Dr. Sirajul ...

কিডনি ও মুত্রথলির বিভিন্ন রোগের লক্ষণ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন বিশিষ্ট ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ মোঃ আব্দুল আওয়াল

কোমর ব্যথা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তির উপায় / কোমর ব্যথার ব্যায়াম / কোমর ব্যথা দূর করার উপায় / Back Pain
কোমর ব্যথা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তির উপায় / কোমর ব্যথার ব্যায়াম / কোমর ব্যথা দূর করার উপায় / Back Pain

by Dr Saiful, P...

কোমর ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায় / কোমর ব্যথার কারণ / কোমর ব্যথা দূর করার ব্যায়াম / কোমর ব্যথার প্রতিকার / কোমর ব্যথা কমানোর উপায়

সহজেই হাঁটু ও কোমর ব্যথা মুক্ত থাকুন।।
সহজেই হাঁটু ও কোমর ব্যথা মুক্ত থাকুন।।

by Dr.Md.Shafiu...

আলোচনা করেছেন, বিশিষ্ট বাত ব্যথা, প্যারালাইসিস ও ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা: মো: সফিউল্যাহ প্রধান । লাইক, শেয়ার এবং সাবস্ক্রাইব করে নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ পেতে থাকুন। সুস্থ্য থাকুন। সাথেই থাকুন। ✺ডা. মোঃ সফিউল্যাহ্ প্রধান পেইন প্যারালাইসিস ও রিহেব-ফিজিও বিশেষজ্ঞ ¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯ ✺সিরিয়ালের জন্য ফোনঃ +8801997702001, +8801997702002 , +88028190575 ¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯ ✺আমাদের হাসপাতাল এর ঠিকানাঃ- DPRC HOSPITAL 29 Probal Housing Ring Road, shyamoli Dhaka-1207, Bangladesh.(ডিপিআরসি হাসপাতাল, ২৯ প্রবাল হাউজিং রিং রোড শ্যামলি ঢাকা-১২০৭ বাংলাদেশ) –––––––––––––––––––––––––––––––––––––––– আমাদের চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করুনঃ https://goo.gl/w3RWzM ¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯¯ ✺আমাদের ওয়েবসাইটঃ www.dprcbd.com ✺আমাদের ফেসবুক পেজঃhttps://goo.gl/rU2Ee6 ✺আমাদের ফেসবুক পেজঃhttps://goo.gl/Rhk3Tq ✺আমাদের টুইটারঃhttps://goo.gl/MZzxQk ✺আমাদের লিংকদিন পেজঃhttps://goo.gl/e7k7SU

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায়  / উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ / উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়
উচ্চ রক্তচাপ কমানোর উপায় / উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ / উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়

by Dr Saiful, P...

উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ব্যায়াম / high blood pressure home remedies / উচ্চ রক্তচাপ কমানোর খাবার / উচ্চ রক্তচাপ / high blood pressure / উচ্চ রক্তচাপ কমানোর প্রাকৃতিক উপায়

হাত পা কাঁপার প্রধান  কারণ / পারকিনসন রোগ / পারকিনসন রোগের চিকিৎসা/  parkinson's disease
হাত পা কাঁপার প্রধান কারণ / পারকিনসন রোগ / পারকিনসন রোগের চিকিৎসা/ parkinson's disease

by Dr Saiful, P...

হাত পা কাপার কারণ / পারকিনসন রোগের লক্ষণ কি / পারকিনসন ডিজিজ / পারকিনসনস রোগ কি

স্ট্রোক থেকে বাঁচার উপায় / স্ট্রোক রোগীর খাবার/ স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায় / স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক
স্ট্রোক থেকে বাঁচার উপায় / স্ট্রোক রোগীর খাবার/ স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায় / স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক

by Dr Saiful, P...

স্ট্রোক কি কারনে হয় / স্ট্রোক ও হৃদরোগে / স্ট্রোক কি / স্ট্রোক হলে করনীয়/ স্ট্রোক পরবর্তী করণীয় স্ট্রোক সম্পর্কিত অন্যান্য ভিডিও এক মিনিটে স্ট্রোক নির্নয় করুন https://www.youtube.com/watch?v=1uUhLVhlOj8&t=7s স্ট্রোক প্রতিরোধ কিভাবে করবেন https://www.youtube.com/watch?v=5ayt6JMo6hA&t=2s স্ট্রোক রোগীদের হাতের চিকিৎসা https://www.youtube.com/watch?v=u3BkBJiGnwQ স্ট্রোক থেকে আপনাকে বাঁচাতে পারে যে ১০ টি খাবার সারাবিশ্বে প্রতিবছর স্ট্রোকে ৫০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে । শারীরিক প্রতিবন্ধিতার প্রধান কারণও স্ট্রোক । প্রতি ৬ জনে ১ জন স্ট্রোক করে । স্ট্রোকের চিকিৎসা অনেক ব্যয়সাধ্য এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাসপাতালে আনতে হয় । তাই স্ট্রোকের চিকিৎসা আসলেই কঠিন । আমাদের দেশে স্ট্রোক রোগীদের জন্য ভালভাবে রিহ্যাবিলিটেশন নেই বললে চলে । তাই স্ট্রোক মানে মৃত্যু , আর যারা বেঁচে থাকে তাদের জন্য সীমাহীন দুর্ভোগ । তবে আশার কথা হল স্টোক প্রতিরোধযোগ্য । সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সঠিক জীবন যাত্রা মাধ্যমেই আমরা ৮০-৯০% স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে পারি । কি কি খাবার খেলে স্ট্রোক থেকে বাঁচতে পারব,সেইগুলো নিয়ে এই আর্টিকেল । ১। বাদামঃ বাদাম খুবই পুষ্টিকর খাবার । গবেষনায় দেখা গেছে নিয়মিত ৩০ গ্রাম বাদাম খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি অর্ধেক কমে যায় ২। রসুনঃ স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে রসুন খুবই গুরুত্বপূর্ন । গবেষনায় দেখা গেছে নিয়মিত রসুন খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি ৫০% কমে । প্রতিদিন ১ -২ কোয়া রসুন খাবেন । ৩। সবুজ শাকসবজিঃ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনায় দেখা গেছে সবুজ শাকসবজি খেলে ২০% স্ট্রোক ঝুঁকি কমে । বিশেষ করে পালংশাক স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে খুবই উপকারী । ৪। সিট্রেসঃ স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে টক জাতীয় ফল খুবই উপকারী । ৭০ হাজার মহিলাদের নিয়ে একটা গবেষনা স্ট্রোক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল – দেখা গেছে এরা ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে পর্যাপ্ত সিট্রেস ফল খেয়েছিল এদের স্ট্রোক ঝুঁকি ১৯% কমছে , যারা স্বাভাবিক খেয়েছে তাদের থেকে । যেমন – লেবু, কমলা, মালটা সিট্রেস ফল । ৫। টমেটোঃ টমেটোতে প্রচুর পরিমানে লাইকোপেন থাকে, যেটা রক্তনালীতে জমাট বাধা ব্লক সরাতে কাজ করে । নিউরোলজি জার্নালে প্রকাশিত এনালাইসিসে দেখা গেছে এতে প্রায় ৫৫% স্ট্রোক ঝুঁকি কমে । ৬। কফি এবং গ্রীন টিঃ স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে কফি এবং অনেক ভাল কাজ করে । বিশেষ করে দৈনিক ২-৩ কাপ গ্রীন টি খেলে স্ট্রোক ১৪% স্ট্রোক ঝুঁকি কমে । ৭০ হাজার মহিলাদের নিয়ে একটা গবেষনা স্ট্রোক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল – দেখা গেছে এরা ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে পর্যাপ্ত সিট্রেস ফল খেয়েছিল এদের স্ট্রোক ঝুঁকি ১৯% কমছে , যারা স্বাভাবিক খেয়েছে তাদের থেকে । যেমন – লেবু, কমলা, মালটা সিট্রেস ফল । ৭। কলাঃ কলাতে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে যেটা আমাদের উচ্চ রক্তচাপ কমাতে খুবই ভাল কাজ করে । একটা গবেষনায় দেখা গেছে নিয়মিত কলা খেলে সমস্যা ২৪% স্ট্রোক ঝুঁকি কমে । কলা খুবই সহজ লভ্য জিনিস , আমাদের নিয়মিত অন্তত একটা করে কলা খাওয়া উচিত । ৮। কুমড়োর বিচিঃ কুমড়োর বিচিতে প্রচুর পরিমাণ ম্যাগনেসিয়াম থাকে , যেটা আমাদের স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে খবুই ভাল কাজ করে । স্ট্রোক জার্নালে প্রকাশিত একটা গবেষনায় দেখা গেছে কুমড়ো বিচি খেলে স্ট্রোক ঝুঁকি ২২% কমে । আপনি নিয়মিত ৮/১০ কুমড়োর বিচি খেতে পারেন । ৯। সামুদ্রিক মাছঃ সামুদ্রিক মাছে ( স্যালমন, টুনা ) ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। যেটা স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে খুবই ভাল কাজ করে । তবে শুধু সামুদ্রিক মাছ না , আমরা যেইসব মাছ খাই এইগুলোতে কিছু পরিমাণ ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড আছে । ১০ । মিষ্টি আলুঃ মিষ্টি আলু খুবই পুষ্টিকর খাবার । এতে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকে । মিষ্টি আলু আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে । স্ট্রোক ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত মিষ্টি আলু খাবেন । ধন্যবাদ ডাঃ সাইফুল ইসলাম, পিটি প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার উত্তরা, ঢাকা । স্ট্রোক সম্পর্কিত অন্যান্য ভিডিও

হাঁটু ব্যথায় করণীয় /হাঁটুর লিগামেন্ট ইনজুরি হলে করনীয় কি / হাঁটুর ব্যথা কেন হয় / knee pain
হাঁটু ব্যথায় করণীয় /হাঁটুর লিগামেন্ট ইনজুরি হলে করনীয় কি / হাঁটুর ব্যথা কেন হয় / knee pain

by Dr Saiful, P...

হাঁটু / হাঁটু ব্যথা / হাঁটু ব্যথার কারণ ও প্রতিকার / হাঁটুর লিগামেন্ট অপারেশন/ লিগামেন্ট ইনজুরি কি / হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা / হাঁটুতে ব্যথা পেলে কি করবেন হাঁটু লিগামেন্ট ইনজুরি যারা খেলাধুলা করেন কিংবা খেলাধুলা দেখেন , তারা সবাই কম বেশ হাঁটুর লিগামেন্ট ইনজুরি সম্পর্কে জানেন । হাঁটুতে বড় ধরনের আঘাত পেলে কমন যেই সব সমস্যা হয় সেইগুলো হল লিগামেন্ট ইনজুরি, মিনিসকাস ইনজুরি কিংবা ফ্যাকচার । এখানে আমরা লিগামেন্ট ইনজুরিই নিয়ে আলোচনা করব । লিগামেন্ট কী জয়েন্ট মানে দুই বা ততোধিক হাড়ের সংযোগস্থল । হাঁটুর জয়েন্টে ফিমার, টিবিয়া, প্যাটেলা নামক তিনটি হাড় থাকে । ফিমার হাঁটুর উপরের লম্বা হাড়টি এবং টিবিয়া হাঁটুর নিচে লম্বা হাড়টি । এই ফিমার এবং টিবিয়া চারদিকে চারটা রশি দ্বারা একে অপরের সাথে বাঁধা থাকে এইগুলোই হল লিগামেন্ট । সামনের রশি টা বলে এসিল, পিছনের টা পিসিএল, দুই পাশে থাকে এলসিএল, এমসিএল । সবচেয়ে বেশি ইনজুরি হয় সামনের এসিএল রশিটা । এটা সম্পূর্ন ছিঁড়ে গেলে জয়েন্ট সাধারনত সামনের দিকে সরে আসে । কিভাবে বুঝব আমার লিগামেন্ট বা মিনিসকাস ইনজুরি হয়েছে এইসব সমস্যা গুলো সাধারণত আঘাতজনিত কারণে হয় । আঘাত পাওয়ার সাথে সাথে জয়েন্ট যদি বাঁকা হয়ে লক হয়ে যায় , পরে আবার টেনে সোজা করা হয় সেটা মিনিসকাস ইনজুরি । আঘাত পাওয়ার সাথে সাথে যদি ফোলে যায় তাহলে বুঝতে হবে জয়েন্টের ভিতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, হয়তো হাড় ভেঙ্গে গেছে । দুই তিন ঘণ্টা পর আস্তে আস্তে যদি ফোলে যায় তাহলে বুঝতে হবে লিগামেন্ট ইনজুরি হয়েছে । আংশিক লিগামেন্ট ইনজুরিতে সাধারণত আঘাত পাওয়ার সাথে সাথে বেশি সমস্যা হয় না । দুই তিন ঘণ্টা পর সমস্যা বাড়তে থাকে । খেলাধুলার সময় কেউ যদি আঘাত পায় , দেখা যায় সেই খেলতে পারছে । দুই তিন ঘণ্টা পর আর খেলতে পারতেছে না । এটাই লিগামেন্ট ইনজুরি । লিগামেন্ট ইনজুরিতে আঘাত পাওয়ার সময় পপ শব্দ হতে পারে । ইনজুরিতে পায়ে ভর অসম্ভব হয়ে যায় । লিগামেন্ট ইনজুরি কয় ধরেনর হয় গ্রেড ১ঃ এটা হালকা ইনজুরি । এতে লিগামেন্টে স্ট্রেচ পরে , ছিঁড়ে যায় না এবং ফোলেও যায় না । তবে মাইল্ড ইনজুরি পরবর্তীতে বড় ইনজুরি হতে পারে । গ্রেড ২ঃ আংশিক লিগামেন্ট ইনজুরি । এতে লিগামেন্টের আংশিক ছিঁড়ে যায় । জয়েন্ট ফোলে যায়, জয়েন্ট কালো হয়ে যায় । জয়েন্টে ভর দেওয়া , নড়াচড়া করা কঠিন হয়ে যায় । ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে এটা চিকিৎসা করা হয় । ভালভাবে রিহ্যাবিলিটেশন করলে এটা সম্পূর্ন ভাল হয়ে যায় । গ্রেড ৩ঃ লিগামেন্ট সম্পূর্ন ছিঁড়ে যায় । এই স্টেজে অনেক সময় ব্যথা হয় না, কারণ পেইন স্ট্রাকচার গুলো ছিঁড়ে যায় । জয়েন্ট অনেক বেশি ফোলে যায়, চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হয় । এই গ্রেডে জয়েন্ট টা মূলত আনস্ট্যাবল হয়ে যায় । লিগামেন্ট ইনজুরির প্রাথমিক চিকিৎসাঃ এই ক্ষেত্রে PRICE ( p= Protection, R= Rest , I= Ice, E= Elevation ) প্রটোকল ফলো করতে হয়ে । আঘাত পাওয়ার সাথে প্রোটেকশন দেওয়া উচতি যাতে পুনরায় ইনজুরি না হয় । এছাড়া ২০ মিনিট করে দুই ঘণ্টা পর পর বরফ দিবেন ৩ দিন পর্যন্ত এবং সাথে বিশ্রাম নিতে হবে । লিগামেন্ট ইনজুরির চিকিৎসা গ্রেড ১ঃ মাইল্ড লিগামেন্ট ইনজুরি ভাল হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে । পুরোপুরি ভাল হতে ৬ সপ্তাহ লাগে । এই সময় পেইনফুল এক্টিভিটি থেকে বিরত থাকতে হয় । এই সময় বরফ দিতে হয়, প্রয়োজনে হালকা এন্টি ইনফ্লামেটরী ওষুধ খেতে হয় । এই সময় ফিজিওথেরাপি নিলে ভালভাবে রিহ্যাবিলিটেশন হয়, দ্রুত ভাল হয় এবং পুনরায় ইনজুরি হয় না । গ্রেড ২ঃ আংশিক লিগামেন্ট ইনজুরি ভাল হতে বেশ কয়েক সপ্তাহ লাগে । প্রথমদিক হাঁটুতে ওজন বহন করার ব্রেস বা সার্পোট দিতে, যাতে পুনরায় ইনজুরি না হয় । এছাড়া ভালভাবে রিহ্যাবিলিটেশন প্রয়োজন হয় । গ্রেড -৩ঃ লিগামেন্ট সম্পূর্ন ছিঁড়ে গেলে হিনজ নী ব্রেস পরতে হয় । যাতে কোনভাবেই পুনরায় ইনজুরি না হয় । এটা ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে সফল ভাবে ভাল করা সম্ভব । তবে সার্জারিও প্রয়োজন হতে পারে । গ্রেড ৩ তে আপনি অবশ্যই একজন এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করবেন । ধন্যবাদ ডাঃ সাইফুল ইসলাম, পিটি প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান , ভিশন ফিজিওথেরাপি সেন্টার উত্তরা , ঢাকা । হাঁটু ব্যথার ১০ টা এক্সারসাইজ https://www.youtube.com/playlist?list=PLWkzvrvMTOHnG8zHGWtoKQC99oVnTfw52

কমোর ব্যাথা দূর করুন আদা দিয়ে,komor betha dur korun ada diye,চিরকালের জন্য কোমর ব্যথা দূর করার জাদুক
কমোর ব্যাথা দূর করুন আদা দিয়ে,komor betha dur korun ada diye,চিরকালের জন্য কোমর ব্যথা দূর করার জাদুক

by Asol Thikana

কমোর ব্যাথা দূর করুন আদা দিয়ে,komor betha dur korun ada diye,চিরকালের জন্য কোমর ব্যথা দূর করার জাদুকরি উপায়, কোমর ব্যথা, কোমর ব্যাথার চিকিৎসা, কোমর ব্যাথার ঔষধ, কোমর ব্যাথার কারন ও প্রতিকার, কোমর ব্যথায় করণীয়, কোমর ব্যথার ব্যয়াম, কোমর ব্যথার কারন, কোমর ব্যাথা, bangla health tips, নারীর স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য টিপস, পরামর্শ, health tips

যে ভুলের কারণে আপনার কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে | Causes of Damage Kidney
যে ভুলের কারণে আপনার কিডনি নষ্ট হয়ে যেতে পারে | Causes of Damage Kidney

by Probashi TV

কিডনি আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিডনি অকেজো হয়ে পড়লে মৃত্যু বলা চলে নিশ্চিত। কিডনি নিয়ে একটু সচেতনতা তাই অত্যাবশ্যক। নানা কারণে আমাদের কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সঠিক সময়ে বুঝতে না পারার কারণে যখন রোগ ধরা পড়ে তখন বলতে গেলে বেশ দেরিই হয়ে যায়। সাধারণভাবে বলতে গেলে কিডনির যে স্বাভাবিক কাজ, তার অর্ধেক কমে গেলে শরীরে লক্ষণ অনুভব হয়। কিডনি রোগ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনই হচ্ছে রোগ নিরাময়ের মূলশক্তি। রোগের লক্ষণগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা থাকলে সে অনুযায়ী নিরাময়ের ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়। কারণ কিডনি রোগের উপসর্গগুলোর সঙ্গে অন্য স্বাস্থ্য সমস্যার উপসর্গের মিল আছে। কিডনি রোগের প্রাথমিক লক্ষণ— ১। রাত্রিকালীন প্রস্রাব হওয়া : যদিও এটি অনেকের ক্ষেত্রে অভ্যাসের অংশ, তবুও এটি যাদের ক্ষেত্রে নতুন দেখা যাচ্ছে তাদের সচেতন হওয়া বাঞ্ছনীয়। ২। দুর্বল লাগা : কিডনির কর্মক্ষমতা যখন কমে যায় তখন রক্তে অপদ্রব্য হিসেবে দূষিত পদার্থ শরীর থেকে বের হতে পারে না। এর ফলে আপনি দুর্বল ও ক্লান্তি অনুভব করেন এবং কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেওয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এ ছাড়া কিডনি রোগীদের অ্যানিমিয়া হওয়াটাও অনেকটাই স্বাভাবিক ঘটনা। এসব কারণেও দুর্বলতা দেখা দেয়। ৩। শ্বাসকষ্ট হওয়া : মেটাবলিক এসিডুসিস সৃষ্টি হওয়ার কারণে বেশির ভাগ রোগীর শ্বাসকষ্ট দেখা যায়, কারো ক্ষেত্রে সেটি হয় স্বাভাবিক শ্বাসের চেয়ে বেশি আবার কারো ক্ষেত্রে বেশ বেশি। ৪। ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যাওয়া। ৫। চোখের চারপাশে ফুলে যাওয়া। ৬। পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতা ফুলে যাওয়া। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে পা ও গোড়ালি ফুলে যায়। পায়ের নিচের অংশ ফুলে যাওয়া, হার্ট, লিভার এবং পায়ের শিরার দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। ৭। ক্ষুধা কমে যাওয়া : এটি খুবই সাধারণ সমস্যা কিন্তু শরীরে টক্সিনের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়ার ফলস্বরূপ ক্ষুধা কমে যায়। ৮। শীত শীত অনুভব হওয়া : কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে। ৯। বমি হওয়া বা বমি বমি লাগা : রক্তে বর্জ্য পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় কিডনির রোগে বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়ার সমস্যা হতে পারে। যদি উপরোক্ত উপসর্গগুলো দেখা যায়, তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সিম্পল ইউরিন টেস্ট (ACR) এবং ব্লাড টেস্ট (GFR) করিয়ে আপনার কিডনির কোনো সমস্যা আছে কি না নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কিভাবে প্রতিরোধ সম্ভব এই আটটি পদ্ধতি হলো— ১। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ : মানসিক চাপ যেকোনো রোগের জন্যই ক্ষতিকর। দৈহিক চাপ বিশ্রামে পূরণ হয় কিন্তু মানসিক চাপ শুধু বিশ্রামে পূরণ হয় না। প্রার্থনা করা, মেডিটেশন, যোগব্যায়াম, বিনোদনমূলক স্থানে ঘুরতে যাওয়া ইত্যাদির মাধ্যমে খুব সহজেই আমরা মানসিক চাপমুক্ত হতে পারি। ২। কায়িক পরিশ্রম ও নিয়মিত ব্যায়াম করা : শারীরিক পরিশ্রম যত সম্ভব বেশি করা। শারীরিক পরিশ্রম করার উপকারিতা অনেক। তার অন্যতম হলো—রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকা, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি পাওয়া, ক্ষতিকারক চর্বির (কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড) মাত্রা কম থাকা, ভালো ঘুম হওয়া, ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাওয়া, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা ইত্যাদি। ৩। উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা : উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস কিডনি বিকলের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত। এ দুটি রোগ শুধু কিডনি বিকলই করে না; হৃদরোগ, ব্রেইন স্ট্রোক, অন্ধত্ববরণসহ অসংখ্য রোগের জন্ম দেয়। কাজেই এগুলোর হাত থেকে বাঁচতে হলে রক্তচাপ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যেন তা ১৩০/৮০-এর নিচে থাকে। এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, যাতে হিমোগ্লোবিন HbA1C লেভেল ৭-এর নিচে থাকে। ৪। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ। ৫। খাদ্য তালিকা থেকে চিনি বাদ দেওয়া। ৬। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, সুষম খাদ্য গ্রহণ (কিডনি এবং হার্টের জন্য উপযোগী খাদ্য), খাবারের মাঝে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হবে। তাজা সবজি ও ফল গ্রহণ এবং তৈরীকৃত খাদ্য থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরি। সম্পৃক্ত চর্বির পরিমাণ যেসব খাবারে বেশি তা বেশি গ্রহণ না করাই নিরাপদ। যেমন—ডিম, দুধ, ভাজা খাবার ইত্যাদি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যেগুলো বেশি গ্রহণ করা। যেমন—সামুদ্রিক মাছ বেশি গ্রহণ করা প্রয়োজন। ৮। ধূমপান থেকে বিরত থাকা : ধূমপানের ফলে কিডনি বিকল হয়, কিডনিতে ক্যান্সার হয়, কিডনি ও মূত্রনালিতে ক্যান্সার সৃষ্টি হয়। ৯। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন না করা : দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন ব্যথা-বেদনার ট্যাবলেট খাওয়ার ফলে কিডনি বিকল হয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যায়, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কিডনি বিকল হয় ওষুধ খাওয়ার কারণে। এ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকসহ অনেক ওষুধ কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। ১০। নিয়মিত কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা : হৃদরোগের সঙ্গে কিডনির প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। হৃদরোগ কিডনির ঝুঁকি বৃদ্ধি করে আবার কিডনির সমস্যা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কারো যদি জানা থাকে তার কিডনি বা হৃদরোগ রয়েছে, তবে এগুলো নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত। যাদের কিডনি রোগ ধরা পড়েছে তাদের সবাইকে যে ডায়ালিসিস নিতেই হয় তা একেবারে ভ্রান্ত ধারণা। সঠিক জীবনযাত্রা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং সঠিক ওষুধ সেবনে কিডনি রোগীরাও ভালো থাকতে পারেন এবং পারছেন। আমাদের দেশে একটি পরিচিত সমস্যা দেখা যায়, আর তা হলো একজন রোগী আরেকজনের পথ্য, জীবনযাত্রা, খাদ্যের তালিকা অনুসরণ করে থাকেন, যা মোটেও উচিত নয়। একেকজনের ক্যালরির চাহিদা একেক রকম, ওষুধের তালিকা ভিন্ন রকম। হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান না, তেমনি একজনের সঙ্গে আরেকজনের হুবহু মিল হওয়াটাও স্বাভাবিক নয়। Causes of Damage Kidney পরামর্শঃ ডা. মো. আশরাফুল হক #কিডনি #Kidney #BanglaHealthTips